আমাদের সম্পর্কে

আলোকবর্তিকা প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে সেবা দেওয়ার পাশাপাশি মানুষের মনকে আনন্দ দিতে ও বিবেককে জাগ্রত করার জন্য নানা ধরনের কর্ম করে যাচ্ছে।

আমরা বিশ্বাস করি মানুষের মনে আনন্দ থাকলে সে উন্নত মানুষ হবে। মন জাগ্রত করতে পারলে তবেই জাতি আলোর দিকে ধাবিত হবে এবং দেশ ও দেশের মানুষের প্রকৃত উন্নয়ন ঘটবে।

আলোকবর্তিকা অন্ধবিশ্বাস থেকে বুদ্ধির মুক্তি এবং শুভবুদ্ধির বিকাশ কামনা করে। আলোকবর্তিকা বিশ্বাস করে নতুনত্বে কারন পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয় আবিস্কৃত হচ্ছে। যে পথে মানবকল্যাণ, সৃষ্টিশীলতা ও নতুনত্বের ধারা প্রবাহিত সেই পথই আলোর পথ। সেই পথই আলোকবর্তিকা…

আলোকবর্তিকার আলো

মানুষ যে ধর্মেরই হোক তার প্রতি সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া বিশ্বনবীর (দঃ) আদর্শ। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) হিলফুল ফুযুল গঠনের মাধ্যমে এই কাজের সূচনা করে গেছেন। দয়া কিংবা করুণা নয়, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি দায়িত্ব পালনের প্রত্যয় নিয়ে আলোকবর্তিকা’র পথচলা।

মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীন হওয়া এই দেশ আজও নানা সমস্যায় জর্জরিত। সমস্যাগুলো একদিনে দূর হবার নয়, এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। আবার সকল দায় সরকারের উপর চাপিয়ে বসে থাকাটাও দায় এড়িয়ে যাওয়ার অজুহাত মাত্র।আমরা বিশ্বাস করি জাতির কর্ণধার তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জ্বীবিত করে সমাজ ও দেশের কল্যাণে একত্রিত করা গেলেই সভ্য-সুস্থ আর সমৃদ্ধ জাতি গঠন সম্ভব। দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব। আরো বিশ্বাস করি পরার্থে কাজ জীবনকে সার্থক করে। নৈতিক মূল্যবোধই যুব সমাজকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই আলোকবর্তিকা ইতিবাচক বিশ্বাসের শক্তিতে উজ্জ্বীবিত হয়েই আত্মিক, আধ্যাত্মিক ও মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

আমরা জানি, আমাদের এই প্রচেষ্টা বিশাল সিন্ধুতে একটি ক্ষুদ্র বিন্দুমাত্র, তবুও করে লাভ নেই ভেবে কিছুই না করে বসে থাকার পক্ষপাতি আমরা নই। আলোকবর্তিকা মানুষের মানসিক সমৃদ্ধি ঘটাতে চায়। ব্যক্তি জীবনে আত্ম- উন্নয়ন, শারীরিক সুস্থতা ও সমাজের জন্য ধনী-দরিদ্রের মাঝে একটা সেতু বন্ধন তৈরি করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কাঠামোগত পরিবর্তন ব্যতিরেকে কোন পরিবর্তন টেকসই নয়। রাষ্ট্রের কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত সমাজের সর্বশ্রেণী, তাই সবার অংশগ্রহণই কেবল পরিবর্তন ও উন্নয়ন বাস্তবায়িত হতে পারে। এ বোধে উদ্দীপ্ত হয়েই আলোকবর্তিকা

এই বিনির্মাণে আপনার অংশগ্রহণ আন্তরিকভাবে আশা করছে আলোকবর্তিকা । আগামীর পথ ততটা সুগম, সুফল ও দ্রুততর হবে, যতটা আপনারা মননে, চিন্তায়, পরামর্শে, সহযোগিতায়, প্রচারে, উৎসাহে সমালোচনায়, ব্যয়ে ও ভালোবাসায় আমাদের সারথি হবেন।

 

আলোকবর্তিকা’র প্রকৃতি

  • গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতি আলোকবর্তিকা শ্রদ্ধাশীল। আলোকবর্তিকার কোন মতামতই রাষ্ট্র ও তার ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও জাতীয় বীরদের বিদ্বেষী হবে না।
  • আলোকবর্তিকা সকল ধর্মানুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কোন বিতর্কিত বিষয় বা রাজনৈতিক মতবাদ প্রচার বা প্রকাশে কাজ করবে না।
  • আলোকবর্তিকা সম্পূর্ণ স্বাধীন, সামাজিক, অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী ও অসাম্প্রদায়িক মনোভাবসম্পন্ন সংগঠন। এই সংগঠনের কোন অঙ্গসংগঠন থাকবে না বা এই সংগঠন অন্য কোন সংগঠনের অঙ্গসংগঠন হিসেবে কাজ করবে না।

সব ভুলে গেলেও শুধু মানুষকে ভালবাসতে ভুলে যেওনা

হাজারও অপ্রাপ্তির পরেও মানুষই মুক্তির উপায় ।– ফারুকী কথন।